ওবামার মন্তব্যে তোলপাড়, ইউএফও নথি প্রকাশে ট্রাম্পের নির্দেশ—ভিন্গ্রহীর রহস্য কি এবার ফাঁস!
"ভিন্গ্রহী ও ইউএফও"—এই রহস্য ঘিরে নতুন করে বিশ্বজুড়ে জল্পনা ছড়িয়েছে।
মার্কিন প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা-র এক পডকাস্ট মন্তব্য এবং তার পরই প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-এর কড়া প্রতিক্রিয়ায় বিষয়টি আবার আলোচনার কেন্দ্রে।
১৪ ফেব্রুয়ারি ‘নো লাই উইথ ব্রায়ান টাইলার কোহেন’ পডকাস্টে ওবামা বলেন, পরিসংখ্যানগত ভাবে মহাবিশ্ব এত বিশাল যে অন্য কোথাও প্রাণের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
তবে তিনি স্পষ্ট করেন, প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন ভিন্গ্রহীদের সঙ্গে যোগাযোগের কোনও প্রমাণ তিনি দেখেননি, এবং এরিয়া ৫১-এ ভিন্গ্রহীদের রাখা হয়েছে—এমন দাবিও নাকচ করেন।
ওই মন্তব্যের সংক্ষিপ্ত ক্লিপ ভাইরাল হতেই বিতর্ক তীব্র হয়।
এরপর ট্রাম্প ওবামার বিরুদ্ধে ‘গোপন তথ্য ফাঁস’-এর অভিযোগ তুলে পেন্টাগন-সহ সংশ্লিষ্ট ফেডারাল সংস্থাগুলিকে ইউএফও ও বহির্জাগতিক জীবন সংক্রান্ত সরকারি নথি প্রকাশের নির্দেশ দেন।
ট্রাম্প জানান, তিনি নিজে ভিন্গ্রহীদের অস্তিত্ব নিয়ে নিশ্চিত নন, তবে জনগণের কৌতূহলের কারণে নথি প্রকাশ জরুরি।
ইতিমধ্যেই ইউএফও দেখা যাওয়ার বহু দাবি, ২০০৪ সালের ‘টিক-ট্যাক ইউএফও’ ঘটনা এবং সাম্প্রতিক তদন্তের প্রসঙ্গ আবার সামনে এসেছে।
যদিও ২০২৫ সালের একটি পেন্টাগন প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, ইউএফও তত্ত্ব অনেক ক্ষেত্রে গোপন সামরিক প্রকল্প আড়াল করার কৌশলও হতে পারে।
এখন প্রশ্ন একটাই—ট্রাম্প প্রশাসন ‘প্যান্ডোরা বক্স’ খুলে কী প্রকাশ করে? সত্যিই কি আমেরিকার কাছে ভিন্গ্রহী সংক্রান্ত অজানা নথি রয়েছে, নাকি সবটাই দীর্ঘদিনের জল্পনা—তার উত্তর মিলতে পারে আসন্ন নথিতে।