আবারও আইনি জটিলতায় পপ তারকা ব্রিটনি স্পিয়ার্স
ব্যক্তিগত জীবন ও আইনি লড়াইয়ের দীর্ঘ ইতিহাসের ধারাবাহিকতায় আবারও নতুন এক মামলায় জড়িয়েছেন মার্কিন পপ তারকা ব্রিটনি স্পিয়ার্স। এবার তার বিরুদ্ধে অভিযোগ- মাদক বা অ্যালকোহলের প্রভাবে গাড়ি চালানো।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভেনচুরা কাউন্টির প্রসিকিউটররা জানিয়েছেন, মামলাটি নিষ্পত্তির জন্য একটি সমঝোতার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, যার মাধ্যমে জেল এড়ানোর সুযোগ রয়েছে। তবে সেই প্রস্তাবে আপাতত সম্মতি দেননি এই গায়িকা।
প্রস্তাব অনুযায়ী, তিনি দোষ স্বীকার করলে তাকে ১২ মাসের প্রবেশনে থাকতে হবে, নির্ধারিত ড্রাইভার সেফটি কোর্স সম্পন্ন করতে হবে এবং জরিমানা দিতে হবে। পাশাপাশি পুনর্বাসনমূলক কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের শর্তও থাকতে পারে।
জানা গেছে, চলতি বছরের মার্চের শুরুতে তাকে গ্রেফতার করা হয়। যদিও ঠিক কোন ধরনের পদার্থের প্রভাবে তিনি গাড়ি চালাচ্ছিলেন, সে বিষয়ে স্পষ্ট তথ্য এখনো প্রকাশ করা হয়নি।
আগামী ৪ মে ভেনচুরা কাউন্টির আদালতে তার হাজিরা নির্ধারিত রয়েছে। তবে আইনগত সুযোগ অনুযায়ী তিনি ব্যক্তিগতভাবে উপস্থিত না থেকেও আইনজীবীর মাধ্যমে আদালতে প্রতিনিধিত্ব করতে পারেন।
আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের সমঝোতা সাধারণত তখনই দেওয়া হয়, যখন অভিযুক্তের পূর্বে গুরুতর অপরাধের রেকর্ড থাকে না এবং ঘটনায় কোনো বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি ঘটে না।
উল্লেখ্য, ১৯৯০-এর দশকের শেষ দিকে ‘...বেবি ওয়ান মোর টাইম’ গান দিয়ে বিশ্বজুড়ে খ্যাতি পান ব্রিটনি স্পিয়ার্স। পরবর্তীতে ব্যক্তিগত জীবনের নানা সংকট ও আইনি জটিলতা তাকে একাধিকবার আলোচনায় এনেছে।
২০০৭ সালের মানসিক বিপর্যয়ের পর দীর্ঘদিন তার বাবা জিমি স্পিয়ার্সের অধীনে অভিভাবকত্বে ছিলেন তিনি। পরে ‘ফ্রি ব্রিটনি’ আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে ২০২১ সালে আদালত সেই অভিভাবকত্ব বাতিল করে।
২০২৩ সালে প্রকাশিত তার আত্মজীবনী দ্যা ওমেন ইন মিতে তিনি দাবি করেন, কঠিন মাদকের সঙ্গে তার সংশ্লিষ্টতা ছিল না। যদিও নির্দিষ্ট কিছু ওষুধ ব্যবহারের কথা স্বীকার করেছিলেন।